1. letusikder@gmail.com : agameerprotyasha :
  2. sabbir.bdwebs@gmail.com : sabbir : S.M. Rubel
৭১ এর সঠিক যোদ্ধা না হয়েও নিচ্ছে সুযোগ সুবিধা - আগামীর প্রত্যাশা ডটকম
শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১, ০২:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নতুন মোটরসাইকেল কিনে বাড়ি ফেরা হলোনা যুবকের ফরিদপুরে আহলে হাদিস মসজিদ ও মাদরাসা ভাঙ্গার প্রতিবাদে খুলনায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত E-Paper-06.12.2020 স্বাধীন দেশে মৌলবাদের কোন জায়গা হবে না’ -মুশা মিয়া বোয়ালমারীতে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১৫ রেলওয়ের ৮৪ শতাংশ লেভেল ক্রসিং অরক্ষিতঃ কাঙ্ক্ষিত গতিতে চলতে পারছে না ট্রেন *বাড়ছে দূর্ঘটনা, প্রতিকারে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর উদ্যোগ নেই পাংশা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও শিক্ষকরা পরস্পর বিরোধী অবস্থানেঃ প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা পাংশায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে কৃষকের মাঝে বিনা মূল্যে পেঁয়াজ বীজসহ বিভিন্ন ধরনের বীজ ও সার বিতরণ মন্দির থেকে মূর্তি চুরি E-Paper-22.11.2020

৭১ এর সঠিক যোদ্ধা না হয়েও নিচ্ছে সুযোগ সুবিধা

  • প্রকাশের সময় :শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২০
  • ১১৫বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

মুক্তিযোদ্ধর স্বীকৃতি চান আরো ১ লাখ ৩৩ হাজার, ১৭৫০ জন মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে খেলা চলছে।

– খান আসাদুজ্জামান টুনু

স্বাধীনতার ৫০ বছরেও প্রাকৃত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা নিশ্চিত করা যায়নি। নির্ভূল ও সঠিক তথ্য ভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরী করতে পারেনি কোন সরকার। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকম সংখ্যা দেয়া হয়েছে মুক্তিযোদ্ধাদের।

বিএনপি সরকার আমলে সঠিক ভঅবে তথ্য যাচাই বাছাই না করেই মুক্তিযোদ্ধার সনদ দেয়া হয়েছে। এখনও অনেকে মুক্তিযোদ্ধা সনদ নেয়ার জন্য দৌড় ঝাপ করছে। দেয়াও হচ্ছে। এ সব সনদ দেয়ার ক্ষেত্রে মানা হচ্ছে না কোন রকম নিয়ম কানুন। সঠিক ভাবে যাচাই বাছাই করা হচ্ছে না। যে-যার প্রয়োজনে ও সুবিধা অনযায়ী মুক্তিযোদ্ধা গেজেট করাচ্ছেন। মন্ত্রানালয় ও এক এক সময় একের পরিপত্র প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন।

আরও পড়ুনঃ বোয়ালমারীতে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ে স্বচ্ছতার জন্য গণশুনানি

বর্তমান গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ২ লাখ ৩৫ হাজার। জনাব আব্দুল গফ্ফার চৌধুরী দৈনিক জনপদে আজ সাহস করে কিছু সত্য বলা প্রয়োজ” নিজ নামে সে নিবন্ধন লিখে দিরেন ৩০ লক্ষ লোক পাকবাহিনীর হাতে নিহত হয়েছিলেন এই সংখ্যাটি ভৌতিক সংখ্যা। বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা ভৌতিক বলে আমার কাছেও মনে হয়। ওপারে যারা পাড়ি জমিয়ে ছিলেন তাদের মুক্তিযোদ্ধার হওয়াটা ছিল অত্যাবশকীয়। যারা গ্রান্ড হোটেলে থেকে বিলাসী মুক্তিযোদ্ধা হয়েছেন সারা আশ্রয় কেন্দ্রে বসবাস করে ডদিন যানপ করেছেন ব্যাংকের লুটের টাকা দিয়ে গোটা ভারত ভ্রমন করেছেন বিভিন্ন দৃশ্য দেখে নয়নকে পরিতৃপ্ত করেছেন।

কাশমির থেকে তামিল নাড়–, আর আসাম থেকে দিল্লি ঘুরে বেড়িয়েছেন তারাও এখন মুক্তিযোদ্ধা রাইফেলের আগা কোন দিকে আর গোড়া কোন দিকে তা যারা আজও জানে না। কি ভাবে রাইফেলে গুলি ভর্তি করতে হয় কি ভাবে গুলি ছুঁড়তে হয় এখনও যাদের এই জ্ঞান নেই বয়সও হয়নি তারাও মুক্তিযোদ্ধার তালিকা ভুক্ত হয়েছে।

৭১ এর ১৬ই ডিসেম্বরে বাংলাদেশের স্বাধীন পরিবেশে অরাজকতার নৈরাজ্যে অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধার রাতারাতি জন্ম নেয়। আর এখনতো নিচ্ছেই। বর্তমানে আসল সোনার চাইতে নকল সোনার চাকচিক্য বেশী দেখা যাচ্ছে।

৩০ লাখ নিহত আর ২ লাখ মা- বোনের সম্মান নষ্ট হওয়ার পরি সংখ্যান ও ভুয়া। সচবেয়ে আশ্চর্যোর বিষয় আজ পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা পর্যন্ত নিরূপিত হয়নি। কে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা আয় কে অপ্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা তা চিহ্নিত করণের কোন নীতিমালা বা রূপেরেখা পর্যন্ত তৈরী করা হয়নি। ফলে খাটি ও মেকী নিদ্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

এ জন্য ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার দেশটা ভরে গেছে। কোন কোন সেক্টর কমান্ডার কাউকে মুক্তিযোদ্ধ হওয়া থেকে বঞ্চিত করেননি। মক্তিযোদ্ধার সাটি ফিকেটর জন্য যেই আবেদন করেছেন, তার আবেদন মঞ্জুর হয়েছেন। কেউ খঅলি হাতে ফেরত যায়নি। সেনাবাহিনীর সীলমোহর ও অফিসারের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া মক্তিযোদ্ধা তালিকা ভুক্ত হয়েছে।

প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্য দুই থেকে আড়াই লাখ, স্বাধীনতার পর সেখানে ২০ লাখ সাটিফিকেট বিতরণ করা হয়েছে। লাখ শহীদ ৩৩ লাখ মক্তিযোদ্ধা। প্রসঙ্গে আমি।চিকিৎসা বিঝ্হানের যন্ত্রের দ্বারা শুদু পরিমাপ করা যায়। একজন রোগী লাল লাল পেনিসিলেন দেহে নেয়ার পরও দেখা যায় একগ্রাম ওজনও বাড়েনি। পুথিতেও পাঠ করা যায় লাখে লাখে সৈন্যমরে কাতারে কাতার হিসাব করিয়া দেখি চল্লিাশ হাজার।

আমাদের মুক্তিযোদ্ধা ৩০ লাখ নিহত হওয়ার সংখ্যা দুই লাখ মা বোনের ইজ্জতে হানির সংখ্যা মুক্তিযুদ্ধের এসব কল্পিত সংখ্যাকে ভিত্তিহীন করে মিথ্যা করার তুবড়িড় কিছু লোক হর হামেশাই মারছে। মিথ্যাচারের এই ব্যাধি থেকে নিরময় করতে হলে তাদের দেহে পেনিসিলিন লাখ লাখ প্রবিষ্ট করতে হবে। আর লাখ লাখ হিসাব করেও যে চল্লিশ হাজার হয় সেই পুথি বার বার পাঠ করাতে হবে। তা হলেই হয়তো মিথ্যার পর্দা দর হতে পারে।

আমরা আর একটি প্রশ্নঃ গত ১২ নভেম্বর ২০১৪ বুধবার যুগান্তর পত্রিকায় ওবায়দুল্লাহ কর্তৃক জানতে পারিলাম ১,৩৩,১৭০ টি আবেদন একলাখ তেত্রিশ হাজার একশত সত্তরটি আবেদন পড়েছে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি চান। এরা মুক্তিযোদ্ধা হলে আমরা কোন ক্ষতি হবে না। দুঃখ পাই এখানে তবে চাপের মুখে অনেকেই মুক্তিযোদ্ধা হবেন। তবে ভবিষ্যতে প্রকৃত মক্তিযোদ্ধা কপালে অলিক্ষিত আছে বলে অনেকেই মনে করে।

খান আসাদুজ্জামান টুনু (সাংবাদিক কলামিষ্ট)

মোবাইলঃ ০১৭৪০৫১৩৪১০

Comments are closed.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
Copyright November, 2014-2020 @ agameerprotyasha.com
Website Hosted by: Bdwebs.com
error: Content is protected !!