বুধবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২২, ০৭:৫৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
E-Paper-12.10.2021 E-Paper-15.08.2021 নড়াইলে কঠোর লকডাউন চলছে, আক্রান্তের হারও হু হু করে বাড়ছে থেমে নেই মৃত্যু কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্টের হেলিকপ্টারে গুলি: ‘জাকারবার্গ’কে খুঁজে দিতে পুরস্কার ঘোষণা! মাগুরার মহম্মদপুরে যুবকের বস্তাবন্ধি লাশ উদ্ধার। ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশু কন্যার জীবন বাঁচাতে সাহায্য কামনা অনুষ্ঠিত হলো তথ্য কর্মকর্তাদের ভার্চুয়াল কর্মশালাঃ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের কর্মীদেরকে সরকার ও জনগণের মধ্যে “সেতুবন্ধ” বললেন সচিব নগরকান্দায় বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষ আহত -১৫ কুষ্টিয়ায় আলোচিত ইসলামী বক্তা মুফতি আমির হামজা আটক আলফাডাঙ্গায় আ’লীগ নেতার বাড়িতে হামলা গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ

শৈলকুপায় মাথা গোজার ঠাই পেলো ৩৭টি পরিবার

তারেক জাহিদ, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ

“যার জমি আছে ঘর নাই তার নিজ জমিতে গৃহ নির্মাণ” আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের মাধ্যমে ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ২০১৯-২০ অর্থ বছরে গৃহ নির্মান কাজ শেষ হয়েছে।

এ অর্থ বছরে শৈলকুপা উপজেলায় মোট ৩৭টি ঘর বরাদ্ধ আসে। ঘর প্রতি বরাদ্ধ ছিলো ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। যার নির্মান কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

সোমবার ঘরগুলো উপকারভোগিদের কাছে হস্তান্তর করেন শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। ঘর হস্তান্তরকালে ইউএনও সাইফুল ইসলাম জানান, এ বছর শৈলকুপা উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে মোট ৩৭টি ঘর বরাদ্ধ আসে। যার নির্মান কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

ঘরগুলো নির্মানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তিনি সরেজমিনে পরিদর্শণ ও তদারকি করেছেন। ঘর প্রতি বরাদ্ধ ছিলো ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। বরাদ্ধের তুলনায় ঘরের মান অনেক ভালো হয়েছে ও মান সম্মত নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। ঘরে ব্যবহৃত ইট, বালু, সিমেন্ট, টিন, রড, ও কাঠসহ সকল নির্মাণ সামগ্রীর মান ভালো ছিলো বলে তিনি দাবী করেন।

তিনি আরো বলেন, উপকারভোগিরা বসবাস উপযোগী ও বাথরুম সংযুক্ত মানসম্মত পাকা ঘর পেয়ে আনন্দিত।

উপকারভোগি হিতামপুর গ্রামের তানিয়া খাতুন বলেন, ঘর পেয়ে তারা খুব খুশি। স্বামী সন্তান নিয়ে আনন্দে বসবাস করার সুযোগ পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ধন্যবাদ জানান। পুরাতন বাখবরবা গ্রামের উপকারভোগি সুজন ঘর পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে বলেন, তিনি কুড়ে ঘরে স্ত্রী সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন।

সামান্য বৃষ্টি হলেই মাথার উপর পানি পড়তো। বসবাসের অনুপযোগি ঘরে তারা কষ্টে বসবাস করতো। স্বাস্থ্য সম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থাও ছিলো না। সরকারের দেয়া বাথরুম সংযুক্ত পাকা ঘর পেয়ে তিনি বর্তমানে স্ত্রী সন্তান নিয়ে আনন্দে বসবাস করছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক ও প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান ও সবার দীর্ঘায়ু কামনা করেন তিনি।

Print Friendly, PDF & Email


     এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ