1. letusikder@gmail.com : agameerprotyasha :
  2. sabbir.bdwebs@gmail.com : sabbir : S.M. Rubel
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ - আগামীর প্রত্যাশা ডটকম
শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী ২০২১, ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নতুন মোটরসাইকেল কিনে বাড়ি ফেরা হলোনা যুবকের ফরিদপুরে আহলে হাদিস মসজিদ ও মাদরাসা ভাঙ্গার প্রতিবাদে খুলনায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত E-Paper-06.12.2020 স্বাধীন দেশে মৌলবাদের কোন জায়গা হবে না’ -মুশা মিয়া বোয়ালমারীতে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১৫ রেলওয়ের ৮৪ শতাংশ লেভেল ক্রসিং অরক্ষিতঃ কাঙ্ক্ষিত গতিতে চলতে পারছে না ট্রেন *বাড়ছে দূর্ঘটনা, প্রতিকারে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর উদ্যোগ নেই পাংশা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও শিক্ষকরা পরস্পর বিরোধী অবস্থানেঃ প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা পাংশায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে কৃষকের মাঝে বিনা মূল্যে পেঁয়াজ বীজসহ বিভিন্ন ধরনের বীজ ও সার বিতরণ মন্দির থেকে মূর্তি চুরি E-Paper-22.11.2020

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় :শুক্রবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২০
  • ৯৫বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্টঃ

সভাপতির স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের রুস্তমপু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পংকজ কুমার দাসের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় গত ১৮ অক্টোবর প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. মজনু মিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের রুস্তমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্লিপ প্রোগ্রাম ও শিক্ষা উপকরণ বাবদ ৮৪ হাজার ৫৭৪ টাকা এবং বিদ্যালয় মেরামত বাবদ এক লাখ ২৩ হাজার টাকা বরাদ্দ আসে।

স্লিপ প্রোগ্রাম ও উপকরণ বাবদ কিছু টাকা খরচ করলেও বিদ্যালয় রক্ষণাবেক্ষণ বাবদ কোনো টাকা খরচ না করেই সভাপতির অগোচরে স্বাক্ষর জাল করে সোনালী ব্যাংক হরিণবেড় শাখা থেকে পৃথক দুটি  চেকের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন প্রধান শিক্ষক পংকজ কুমার দাস।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি মজনু মিয়া বলেন, প্রধান শিক্ষক কাজ না করে এবং আমার স্বাক্ষর জাল করে ব্যাংক থেকে দুবার টাকা উত্তোলন করেছেন। ১ অক্টোবর বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির ২৬ জন সদস্য আলোচনা করে একটি রেজুলেশন করি। এতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সভাপতির স্বাক্ষর জাল ও উত্তোলনকৃত টাকা আত্মসাতের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি।

তিনি আরও বলেন, ২০১৯ সালে বিদ্যালয়ের বরাদ্দকৃত টাকা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে খরচ করেন প্রধান শিক্ষক। এই খরচের হিসাব চাইতে গেলে তিনি সঠিক হিসাব দিতে পারেননি বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির কাছে। এ সময় ৩০ হাজার টাকা গড়মিলের প্রমাণ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে ৩০ হাজার টাকা ফেরত দেয়ার কথা থাকলেও তিনি আর দেননি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক পংকজ কুমার দাস জানান, আমি বিদ্যালয়ে যোগদান করার পর থেকে ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। বর্তমানে আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ইকবাল মিয়া যুগান্তরকে জানান, রুস্তমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতির লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রবিউল আলমকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হেয়েছে। তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পেলে প্রয়োজনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমা আশরাফী জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছি।

Comments are closed.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
Copyright November, 2014-2020 @ agameerprotyasha.com
Website Hosted by: Bdwebs.com
error: Content is protected !!